আবদুল্লাহ আল শাহিদ খান , ববি প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে ৭২ জন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি করা হলেও, বাস্তবে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বা উপাচার্য দপ্তরে তার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিফলন দেখা যায়নি। গণমাধ্যমে পদত্যাগের খবর প্রচারিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, তারা এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো বৈধ আবেদন হাতে পায়নি।

শিক্ষকদের পক্ষ থেকে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হাফিজ আশরাফুল হক দাবি করেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ জন শিক্ষক বিভিন্ন প্রশাসনিক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তবে কেন তা দপ্তরে পৌঁছালো না, এমন প্রশ্নে সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক জানান, “এখনও সিগনেচার কালেকশন শেষ হয়নি। প্রক্রিয়াটি শেষ হলেই আনুষ্ঠানিকভাবে তা জমা দেওয়া হবে।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিভাগের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, তারা ব্যক্তিগতভাবে এখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি।তবে সবাই যেটা করবে সেটাই তার কথা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, “আমি কোনো পদত্যাগপত্র পাইনি। আমার অফিস তালাবদ্ধ ছিল, শিক্ষকরা কোথায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তা তারাই ভালো বলতে পারবেন।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, মাত্র তিনজনের পদত্যাগপত্র তিনি পেয়েছেন। এর বাইরে বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের পদত্যাগের কোনো দালিলিক প্রমাণ তার কাছে নেই। উপাচার্যের অভিযোগ, আন্দোলনকে অতিরঞ্জিত করতেই ‘গণপদত্যাগের’ বিষয়টি প্রচার করা হচ্ছে।