কোনো প্রাইভেট কোম্পানি যদি কুয়াকাটায় ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে অবকাঠামো যতটুকু সম্ভব তৈরি করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন ও উত্তর পর্বে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।
এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র আছে, নৌ একটা ঘাঁটি আছে।
ওখানে একটি ক্যান্টেনমেন্ট আছে, পায়রা বন্দর আছে। ওখানে এর সঙ্গে যদি দ্রুতগতিতে একটি বিমানবন্দর করা যায়, তাহলে কুয়াকাটাকে হয়তো আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আমরা গড়ে তুলতে পারবো।
বিমানবন্দর করা যায় কী না?
এ প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিমানবন্দরের বিষয়টি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিমানের ফ্লাইট অবশ্যই পরিচালনা সেখানে করা হয়তো যাবে, কিন্তু তাতে যদি লস হয়, তাহলে তো পাবলিকের পকেট থেকে পয়সাটা যাবে।
কাজেই সেটি বোধ হয় বিজনেস ওয়াইজ খুব একটা ভালো হবে না। তবে কোনো প্রাইভেট কোম্পানি যদি সেখানে ফ্লাইট অপারেট করতে চায়, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে তাকে ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা (অবকাঠামো) যতটুকু সম্ভব তৈরি করে দেওয়ার চেষ্টা করব। তবে অবশ্যই যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে আমাদের এটি করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের যেমন লস চাই না। আমরা চাই না কোনো উদ্যোক্তার কোনো উদ্যোগও ব্যর্থ হোক বা সেটি ভালো না হোক।