পটুয়াখালীতে বিমানবন্দর করা ঠিক হবে না তবে অন্য অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে-এ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পায়রা-কুয়াকাটাকে ঘিরে ইকো ট্যুরিজমের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বলেন, বিশাল এ এলাকা ঘিরে সুনীল অর্থনীতির আওতায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠবে সেই ব্যবস্থা নেবে সরকার।
মহানগর ডেস্ক
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
জবাবে তারেক রহমান বলেন,
দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং জাতীয় সুনীল অর্থনীতি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে। এ ছাড়াও ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার ‘উপকূলীয় অঞ্চল নীতি-২০০৫’ প্রণয়ন করে, যা উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বর্তমান সরকার Maritime Spatial Planning (MSP) বা সমুদ্র অঞ্চল পরিকল্পনা কার্যক্রম ও এ থেকে দেশের সম্ভাব্য অর্জিতব্য বিষয়াদি বিবেচনার জন্য ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে। সামুদ্রিক সম্পদ, মৎস্য, পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বিত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং সুনীল অর্থনীতির টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজন হলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,
পর্যটন খাত এগিয়ে নিতে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। এর অংশ হিসেবে কুয়াকাটাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কুয়াকাটায় গিয়েছিলাম। ওই এলাকা নিয়ে আমার স্বাভাবিকভাবে দুর্বলতা আছে। পায়রা-কুয়াকাটাকে ঘিরে ইকো ট্যুরিজমের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা নিয়ে অ্যাকশন এরিয়া প্ল্যান করা হচ্ছে, এটা বাস্তবায়ন হলে সেখানে পর্যটন শিল্প তরান্বিত হবে।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,
পটুয়াখালীতে বিমানবন্দর করা ঠিক হবে না, অন্য অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। তবে বেসরকারিভাবে কোনো এয়ারলাইন্স যদি কুয়াকাটায় ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায়, তাহলে অবশ্যই যাচাই-বাছাই করে অবকাঠামো গড়ে দিবে সরকার। কিন্তু লোকসানি প্রকল্প করে জনগণের ওপর চাপ বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।