পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী আলোচনার পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি উল্লেখ করেননি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে মুখ খুলেছেন ইরানের ডেপুটি পার্লামেন্ট স্পিকার।
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সাধারণত যে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেই হরমুজ প্রণালী ইসলামাবাদ শান্তি আলোচনায় ছিল একটি বড় জটিলতার কারণ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কার্যকর থাকা শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
ইরানের ডেপুটি পার্লামেন্ট স্পিকার হাজি বাবাই-এর বরাত দিয়ে মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানের জন্য হরমুজ প্রণালী একটি ‘রেড লাইন’।
হাজি বাবাই বলেন,
হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে এবং এর টোল ইরানি মুদ্রা রিয়ালে পরিশোধ করতে হবে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শনিবার (১১ এপ্রিল) তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, প্রণালীটি ‘শিগগিরই খুলে দেয়া হবে’।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডও শনিবার জানিয়েছে, দুটি নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ‘হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে’ এবং এটি ছিল সমুদ্রপথ থেকে মাইন অপসারণের বৃহত্তর একটি মিশনের অংশ। তবে ইরান এই দাবি অস্বীকার করে বলেছে, ওই দুটি জাহাজ হরমুজ দিয়ে অতিক্রম করেনি।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে,
হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো সামরিক জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করলে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি আইআরজিসি’র এই সতর্কবার্তার কথা জানায়।
সূত্র: বিবিসি