দেড় কিলোমিটার ভরাট খালে পুনর্খনন কার্যক্রম শুরু, একাধিক চাষের আওতায় আসবে ৫০০ একর কৃষি জমি

সবজির গ্রামখ্যাত কুমিরমারা গ্রামের কৃষকের জন্য সুখবর বয়ে আনলো কৃষি মন্ত্রণালয়। মিঠাপানি সংরক্ষণে তাঁদের ভরাট ও মরা খালে পুনর্খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সবজি উৎপাদনের হাবখ্যাত কুমিরমারা গ্রামের ‘গেন্ডামারা’ ভরাট খালটির দেড় কিলোমিটার অংশের খনন কাজ আজ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে এই খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ। তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্রশাসক মো. নাহিদ হাসান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএডিসি পটুয়াখালীর সহকারী প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী, সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী সৈয়দ মেহাইমিনুল ইসলাম, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুল হামিদ, হারুন-অর-রশীদ প্রমুখ।
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিএডিসি এসএসিপি পকল্পের আওতায় কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের এ খালটি পুনর্খনন করা হচ্ছে। এর ফলে খাল সংলগ্ন ২০০ হেক্টর (প্রায় ৫০০ একর) জমিতে রবি মৌসুমে অতিরিক্ত এক-দুইটি ফসল আবাদ করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ জানান, ২১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ব্যায় এই খালটির দেড় কিমি অংশের টপে ২৮ ফুট প্রস্থ, গভীরতা নয় ফুট ও তলদেশ নয় ফুট প্রস্থ খনন করা হবে।
উল্ল্যেখ্য, কুমিরমারা গ্রামের শতকরা ৯৫ জন কৃষক ১২ মাস সবজি, ধানসহ কোন না কোন ফসলের আবাদ করেন। তাঁদেও মিঠাপানি সংরক্ষণের জন্য এসব খাল পুনর্খননে কৃষি উৎপাদনের জন্য খুবই সহায়ক হবে। তবে ভরাট হয়ে যাওয়া মিঠাপানির বড় জলাধার পাখিমারার মূল খালটি খনন করা জরুরি প্রয়োজন বলে সকল শ্রেণির কৃষকের দাবি।




আপনার মন্তব্য লিখুন