দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক: মীর শাহে আলম

বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেল নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও দেশে সরবরাহ ও মজুত স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই এবং সরকার আগামী জুন পর্যন্ত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর শাহে আলম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং গাক চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প ও ছানি রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল এটি।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘তেল নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। সবাই তেল পাচ্ছে। সরবরাহ ও মজুত ঠিক আছে, সিস্টেমের মধ্যেই রয়েছে। হয়তো পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।’
সরকার জ্বালানির দাম বাড়ায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার ভর্তুকি দিয়ে অতিরিক্ত দামে তেল কিনে এনে সরবরাহ দিচ্ছে। এ খাতে আগামী জুন পর্যন্ত সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা, যাতে সাধারণ মানুষ কষ্টে না পড়ে।’
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন বগুড়া সফর নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী ২০ তারিখ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বগুড়ায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে চূড়ান্ত হলেও চূড়ান্ত ঘোষণা এখনো আসেনি। এ সফরে তিনি ই-বেল বন্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন এবং সিটি করপোরেশনের বিষয়ে ঘোষণা দেবেন। পাশাপাশি বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করবেন তিনি। এ উপলক্ষে আগামী ১৫ তারিখ ঢাকা থেকে সংশ্লিষ্ট একটি দল প্রস্তুতি পরিদর্শনে আসবে।
সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার অবদানের প্রশংসা করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘একা সরকারের পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়।’ এ ছাড়া মহাস্থান মোকামতলা এলাকায় একটি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও কৃষি মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান তিনি।
বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বহাল থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। সেখানে কৃষি, প্রকৌশল ও চিকিৎসা বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।’




আপনার মন্তব্য লিখুন