জুলাই বিপ্লবে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এসময় তারসাথে জুলাই বিপ্লবে বাউফলের ৭ শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সালেহ আহমেদের কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম জমা দেন। ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন।
মনোনয়ন ফরম জমা প্রদানের সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, পটুয়াখালী জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক এবিএম সাইফুল্লাহ, এবং বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আলহ্বাজ মাও ইসহাক মিয়াসহ স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের পৌর ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
মনোনয়ন ফরম জমা প্রদান শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আজকে এখানে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বা জামায়াতে ইসলামী আসে নাই, এখানে বাউফলবাসী এসেছে। জুলাই বিপ্লবে বাউফলের ৭ শহিদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শহিদ পরিবারের সদস্যরা আমাকে দোয়া করেছেন, আমার মাথায় যখন তাদের হাত এসেছে, আমার মন বলেছে আল্লাহ তায়ালা আমাদের বিজয় করবেন ইনশাআল্লাহ।
এর আগে সকালে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম জমা প্রদানের লক্ষ্যে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বাউফলবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, এবার শফিকুল ইসলাম মাসুদ জিতবে না, জিতবে বাউফলবাসী, এবার এমপি হবে না শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এমপি হবে বাউফলের মানুষ। আমাদের অন্যান্য যে রাজনৈতিক প্রতিযোগীরা আছেন তাদের আমরা কাউকে প্রতিদ্বন্দী বা প্রতিপক্ষ মনে করি না, যারা আছেন তাদের বলবো আসুন, আমরা ভালো কাজ নিয়ে মানুষের কাছে ফিরে যাই। আমরা তাদের কাছে বলি এই এই কাজগুলো করতে চাই, আপনারা যাকে পছন্দ করেন তাকে আপনারা সমর্থন দিবেন। যে বিজয় হবে তার সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে বাউফলে গড়ে তুলবো। তিনি আরও বলেন, আজকে আমি বা আমার দল জামায়াতে ইসলামী আমরা মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে যাচ্ছি না আমরা যাচ্ছি বাউফলের সাড়ে চার লক্ষ মানুষের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে যাচ্ছি ।
দোয়া অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, যুব বিভাগ ও মহিলা বিভাগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, জুলাই আন্দোলনে আহত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন।




আপনার মন্তব্য লিখুন